প্রিন্টে অনেকগুলো জিনিস জড়িত থাকে। কাস্টমাররা বিস্তারিতভাবে না জানলে বা সচেতন না থাকলে অনেক সময় প্রিন্টিং কোম্পানিরা তাদের মনমত জিনিস দিতে পারে না, আর কাস্টমাররাও পছন্দসই জিনিস পায় না। রুবিক প্রিন্ট এই পোস্টের মাধ্যমে প্রিন্টের কিছু বেসিক জিনিস পর্যন্ত কাস্টমারদের এই সীমাবদ্ধতাকে দূর করতে চাচ্ছে।

ম্যাট লেমিনেশন

https://i0.wp.com/thesupersunny.com/wp-content/uploads/2015/05/lamination_matte.jpg

আপনার বিজনেস কার্ডটি  যদি ম্যাট লেমিনেশন করা থাকে- তবে তা খুবই এলিগেন্ট এবং আধুনিক লাগবে। যদি গ্লসি লেমিনেশন এর সাথে পাশাপাশি রাখা হলে, ম্যাট লেমিনেশনকে অনেক ন্যাচারাল মনে হয়। ম্যাট লেমিনেশন আপনার কার্ডকে গ্লসি লেমিনেশন থেকে সফট লুক দিবে এবং গাঁঢ় রঙ গুলোতে কম কন্ট্রাস্ট তৈরি করবে।

স্পট ইউভি লেমিনেশন

https://i1.wp.com/imprimeriexpress.com/wp-content/uploads/2017/04/VC-With-Spot-lamination.jpg?resize=1257%2C838&ssl=1

স্পট ইউভি লেমিনেশনটি আপনার নির্দিষ্ট ডিজাইনের উপরে একটি পরিস্কার, চকচকে লেয়ার তৈরি করে। যা খুব সহজেই দৃষ্টি আকর্ষণ করে, দেখতে খুবই ভাল লাগে । তা ছাড়াও এইটি আপনার কার্ডকে স্মুথ টাচ এক্সপেরিয়েন্স দেয়, যা এইটিকে অভিজাত করে তোলে।

স্পট ইউভি লেমিনেশন চাইলে পুরো কার্ডে দেয়া যায়। কিন্তু এইটি ব্যবহার হয় এমন জায়গায়, যেই অংশটার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে হবে। যেমন- ব্যাক্তির নাম, কোম্পানির নাম, মোবাইল নাম্বার ইত্যাদি।

জিএসএম

https://i0.wp.com/i.pinimg.com/originals/c1/8b/23/c18b23e3404c27a266bde28caaddf633.jpg?resize=1000%2C750&ssl=1

জিএসএম এর ফুল মিনিং হল গ্রাম পার স্কয়ার মিটার। অর্থাৎ ১ মিটার বাই ১ মিটার এর কাগজকে তার জিএসএম দিয়ে গুন দেয়া হলে তার ওজন বের হয়ে আসবে। এইটা দিয়ে মূলত কাগজ পাতলা অথবা ভারী বুঝায়। আমরা আমাদের বিজনেস কার্ড এর জন্য ৩০০ জিএসএম এর আর্ট কার্ড পেপার এবং স্টার্টআপ প্যাকেজের জন্য ১০০ জিএসএম এর অফসেট পেপার ব্যবহার করি।

CMYK প্রিন্টিং/ চার কালার প্রিন্টিং

https://i1.wp.com/printonpaper.com/wp-content/uploads/2016/07/CMYK.jpg?ssl=1

এই কালার প্রোফাইলটাই প্রিন্টিং এ ব্যবহার করা হয়। CMYK কালারটি তৈরি করা হয়, একটি উজ্জলতা/আলো বাদ দেয়ার প্রক্রিয়ায়। যত গুলো কালার ব্যবহার হবে, তারমানে তত বেশি উজ্জলতা/আলো বাদ দিয়ে কালারটি তৈরি করা হয়েছে। যেমন- “CMY” তিনটি কালার ব্যবহার করলে ব্ল্যাক কালারটি ডার্ক ব্রাউন দেখাবে। তখন “K” কালারটি ব্যবহার করলে এইটি উজ্জলতা/আলো বাদ দিয়ে পুরো ব্ল্যাক দেখাবে।

CMYK VS RGB COLOR

আপনি কম্পিউটার স্ক্রিনে যেই কালার টি দেখেন সেটি হচ্ছে RGB। কিন্তু প্রিন্টিং এ যেটি ব্যবহার হয় সেটি CMYK। এর কারনে আপনার কম্পিউটার স্ক্রিনে দেখা কালার টি নাও আসতে পারে।